BD Railway Tools

← All General Rules · GR 1, 1

defination:1

সঙ্গা:1

1. সংজ্ঞা সমূহ : মূল বিষয় অথবা প্রসংগের সাথে কোনরুপ অসংগতিপূর্ণ না হইলে এই নিয়মাবলীতের বর্ণিত : (1) আইন বলিতে বাংলাদেশে গৃহীত এবং বিভিন্ন সময়ে সংশোধিত ভারতীয় রেলওয়ে আইন(1890 সনের 9 নম্বর আইন) বুঝায়। (2) প্রয়োজনীয় দূরত্ব বা নিরাপদ দূরত্ব: প্রয়োজনীয় দূরত্ব বা নিরাপদ দূরত্ব বলিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় দূরত্ব বুঝায়। (2ক) প্রয়োজনীয় বা নিরাপদ দূরত্ব বোর্ড : বলিতে যে সমস্থ স্টেশনে কোন অগ্রসরমান ট্রেনের মুখে শান্টিং এর অনুমতি নাই, এডভান্স স্টার্টার ও লাগানো হয় নাই এবং শান্টিং বোর্ড অথবা শান্টিং লিমিট বোর্ডের স্থানে স্থাপিত বোর্ডকে বুঝায়। (3) অনুমোদিত বিষেশ আদেশ : বলিতে সরকারী রেলওয়ে পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত বা নির্দেশিত বিষেশ আদেশ বুঝায়। (4) সিগনালের অবস্থা বলিতে কোন স্থায়ী সিগনালের অগ্রসরমান ট্রেনের চালকের দিকে প্রদর্শিত অবস্থাকে বুঝায়। কোন সিগনাল যখন তাহার সর্বাধিক নিরোধক্ষম অবস্থায় থাকে তখন তাহাকে নিষেধ জ্ঞাপক অবস্থা এবং যখন সর্বাধিক নিরোধক্ষম অবস্থা ব্যতীত অন্য যে কোন অবস্থায় থঅকে তখন তাহকে অনুমতি জ্ঞাপক অবস্থা বলা হয়। (5) (5) ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা : বলিতে এমন একজন রেল কর্মচারীকে বুঝায় যিনি আদেশ জারী করা বা অন্য কিছু করিবার জন্য রেলওয়ে প্রশাসনের সাধারণ বা বিশেষ আদেশে স্বনামে বা পদাধিকারবলে যথাযথভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত হইয়াছেন। (6) অগ্রসর হইবার অধিকার : বলিতে কার্য পরিচালনা পদ্ধতি অনুসারে নিজের ট্রেনসহ ব্লক সেকশনে প্রবেশের জন্য চালককে প্রদত্ত অধকিারকে বুঝায়। (6-ক) স্বয়ংক্রিয় ব্লক সিগনাল : বলিতে ঐ সকল বৈদুতিক অথাব ইলেকট্রো -নিউমেটিক স্থায়ী সিগনালকে বুঝায় যে সিগনালগুলি তাহাদের নিয়ন্ত্রণাধীন ব্লক সেকশনে কোন ট্রেনের প্রবেশ, অবস্থান এবং প্রস্থানের মাধ্যমে সরসরি নিয়ন্ত্রিত হয়। এই সকল সিগনালকে স্বতন্ত্রভাবে চিহ্নিত করার জন্র ইহাদের খুটিতে একটি ‘এ’ মার্কা লাগানো থাকে। (7) ব্যালাস্ট ট্রেন : বলিতে দুই স্টেশনের মধ্যে অথবা স্টেশন সীমার মধ্যে কেবল মাত্র খোয়া , পাথর , মালামাল বা জ্বালানী বোঝাই ও খালাসের কাজে ব্যবহৃত ট্রেনকে বুঝায়। (7-ক) অবরোধ বলিতে স্বয়ংক্রিয় বা আধা স্বয়ংক্রিয় সিগনাল দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নির্দিষ্ট রেলপথের দৈর্ঘ্যকে বুঝায়। (8) অবরোধ এলাকা : বলিতে রেলপথের সেই নির্দিষ্ট দৈর্ঘকে বুঝায় যাহার ভিতরে অগ্রসর হইবার অধিকার ব্যতীত কোন চলন্ত ট্রেন প্রবেশ করিতে পারে না। (9) সংযোগ :বলিতে , রানিং লাইন প্রসঙ্গে ব্যবহৃত হইলে , রেলপথ েক অতিক্রম করা বা অন্যান্য রেলপথের সহিত সংযুক্ত করার কাজে ব্যবহৃত পয়েন্ট, ক্রসিং বা অন্রঅন্য সংযোগ সরঞ্জামকে বুঝায়। (10) দিবস : বলিতে সূর্যদয় হইতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়কে বুঝায়। (11) চালক : িবলিতে একজন ইঞ্জিন চালক অথবা একটি লোকোমোটিভ বা স্বংয় চলনক্ষম গাড়ী চালাইবার দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্য যে কোন রেল কর্মচারীকে বুঝায়। (12) বৈদ্যুতিক কথোপকথন যন্ত্র: বলিতে একটি টেলিগ্রাফ যন্ত্র অথাবা এটি টেলিফোনকে বুঝায়। (13) ফেসিং পয়েন্ট ও টেলিং পয়েন্ট: কোন পয়েন্টের উপর কোন ট্রেনের চলার দিক অনুসারে ঐ পয়েন্টকে ফেসিং অথাব ট্রেলিং পয়েন্ট বলা হয় । যথন একটি পয়ে েন্টর দিক পরিবর্তন দ্বারা ট্রেনটি নিজ পথ হইতে সরাসরি অপর একটি পথে চলিয়া যায় তখন তাহাকে ফেসিং পয়েন্ট বলা হয়। যথন ঐ পয়েন্টটির মাধ্যমে বিভিন্ন পথ হই েত টেপ্রনটি একটি অভিন্ন পথে উঠিতে পারে তখন তাহকে ট্রেলিং পয়েন্ট বলা হয়। (14) স্থায়ী : সিগনাল বলিতে কোন স্থায়ী জায়গায় অবস্থিত বাহু, চাকতি , রঙিন আলো বা পজিশন লাইটের মাধ্যমে ইঙ্গিত প্রদানে সক্ষম সিগনালকে বুঝায়। (15)সংঘর্ষণ সীমারেখা চিহ্ন: বলিতে পরষ্পর অতিক্রম কারী অথবা মিলিত দুইটি রেললাইনের যে সীমারেখায় স্থায়ী প্রমীত মাপের লংঘন ঘটে, তাহাকে বুঝায়। (15-ক) আনুষঙ্গিক নিয়ম: বলিতে সংশ্লিষ্ট সাধারণ নিয়মের অধীন কোন নিয়মকে বুঝায়। আ: নি: 1-ক: সংঘর্ষণ সীমারেখা চিহ্ন গুলি উপরে এফ এম অক্ষর দুইটি খোদাই করা সাদা রঙ্গের গোল মাথাওয়ালা কাঠের বা তিনকোণা বিষিশ্ট কংক্রিটের তৈরী বস্তু যাতা একস্থানে মিলিত পথসমূহের মাঝখানে থাকে। এই সীমারেখা নির্দেশিত পথসমূহ অবশ্যই সব রকম গাদীমুক্ত রাথিতে হইবে। (16) পূর্ণ গতিরোধখ দূরত্ব: বলিতে সর্বোচ্চ গতিতে চলন্ত একটি ট্রেনকে থামাইবার জন্য প্রয়োজনীয় দূরত্বকে বুঝায়। (17) মেট বলিতে স্থায়ীপথে বা উহার সহিত সংশ্লিষ্ট অন্য সকল কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের প্রধানকে বুঝায়। (18) গেইট : বলিতে এই পুস্তকের প্রথম ভাগের অষ্টম অধ্যায়ের প্রয়োজনার্থে একটি শকল এবং লেভেল ক্রসিং এ ব্যবহৃত অন্য সকল প্রকার অপসারণযোগ্য অবরোধকে বুঝায় কিন্তু প্রথচারীদের ব্যবারের জন্র স্থাপিত কবাট কাটা ফাঁকা বা ঘূর্ণায়মান প্রতিবন্ধক িইহার অন্তর্ভূক্ত নহে। (19) মালগাড়ী:বলিতে কেবলমাত্র প্রাণী ও মালামাল পরিবহণের জন্য ব্যবহৃত ট্রেনকে বুঝায়। (20) সরকারী পরিদর্শক : বলিতে , কোন রেলওয়ের প্রসঙ্গে ব্যবহৃত হইলে , এ রেলওয়েতে রেলওয়ে আইন অনুসারে কার্য নির্বাহের জন্য নিযুক্ত পরিদর্শককে বুঝায়। (21) পরিচালক : বলিতে একটি ট্রেনের দায়িত্বে নিয়োজিত একজন রেলকর্মচারীকে বুঝায় এবং আর পি সি বা সাময়িকভাবে পরিচালকের কর্তব্য পালনে নিযুক্ত অপর যে কোন রেল কর্মচারওে ইহার অনুতর্ভূক্ত । (22) সিগনালের সামনে : বলিতে কোন সিগনালের নিয়ন্ত্রণাধীন স্থানের ভিতরে বুঝায়। (23) সিগনালের পিছনে: বলিতে কোন সিগনালের নিয়ন্ত্রনাধীন স্থানের পিছনে বুঝায়। (24) সিগনালের নির্দেশ: বলিতে েএকটি সিগনালের অবস্থা যে তথ্য বা অর্থ প্রকাশ করে তাহাকে বুঝায়। (25) স্থায়ী পথ বা পূর্ত পরিদর্শক : বলিতে যে কোন পরিদর্শক বা সহকারী পরিদর্শক যিনি স্থায়ীপথ , পয়েন্ট, সিগনাল , সেতু অথবা ইহার সহিত সংশ্লিষ্ট অপর যে কোন কিছুর নির্মাণ , স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে নিয়োজিত রহিয়াছেন তাহাকে বুঝায়। (26-থ)চৌম্বক তালা : বলিতে দূর নিয়ন্ত্রিত স্টেশনের সাইডিং এর কীলক যুক্ত পয়েন্ট ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক তালকে বুঝায়। পয়েন্টসমূহের পরিচালনার জন্য স্টেশন মাষ্টার স্থানীয় নিয়ন্ত্রণ প্যানেল হইতে বৈদ্যুতিক শক্তির সাহায্যে ইহার চাবি মুক্ত করিয়অ থাকেন। (27) প্রধন পথ: বলিতে স্টেশনের উপর দিয়া সরসরি চলাচলের জন্য সাধারণ ভাবে ব্যবহৃত পথ এবং স্টেশন সমূহের মধ্যবর্তী পথকে বুঝায়। (28) মিক্সড ট্রেন: বলিতে যাত্রী এবং মালামাল অথবা যাত্রী , মালামাল এবং অন্যান্য জীবজন্তু পরিবহণের জন্য ব্যবহৃত ট্রেনকে বুঝায়। (29) বহু অবস্থা বিশিষ্ট সিগনা। : বলিতে এমন একটা স্থায়ী সিগনালকে বুঝায় যাহা তিন বা ততোধিক অবস্থার যে কোন একটি প্রদর্শন করিতে পারে। (30) রাত্রি : বলিতে সূর্যাস্থ হইতে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়কে বুঝায়। (31) বাধা: বলিতে একটি লাইনের উপর বা লাইনে আটকাইয়অ থাকা/রাখা কোন ট্রেন , গাড়ী , ওয়াগন অথবা কোন প্রতিবন্ধক অথবা ট্রেন চলাচলের পক্ষে বিপজ্জনক অন্র যে কোন অবস্থাকে বুঝায়। (32) সাধারণ ট্রেন: বলিতে ওয়ার্কিং টাইম টেবিলের অন্তর্ভূক্ত যে কোন যাত্রীবাহী, মালবাহী অথবা মিক্সড ট্রেনকে বুঝায়। (33)যাত্রীবাহী ট্রেন: বলিকে কেবলমাত্র এবং প্রধানত যাত্রী ও অন্যান্য কোটিং ট্রাফিক পরিবহণের উদ্দেশ্য ব্যবহৃত ট্রেন এবং সৈন্যবাহী ট্রেনকে বুঝায়। (34) আসিবার অনুমতি: বলিতে কোন ট্রেনের জন্য সামনের ব্লক স্টেশন হইতে পিছনের ব্লক স্টেশনের প্রতি প্রদত্ত অনুমতিকে বুঝায়। (35) পয়েন্টস্যম্যান: বলিতে যে রেল কর্মচারী স্টেশন মাস্টারের নির্দেশ অনুযায়ী পয়েন্ট এবং/অথবা সিগনাল পরিচালনা করিয়া থাকেন তাহাকে বুঝায়। (35-ক) দূর নিয়ন্ত্রিত স্টেশন: বলিতে যে স্টেশনে সিটিসি অপারেটর ট্রেন পিরচালনা করিয়অ থাকেন তাহাকে বুঝায়। (36) ট্রেন চলিবার পথ: বলিতে সেই পথকে বুঝায় যাহাতে এক বা পরষ্পর সংযোগকারী সহ একাধিক লাইন আছে এবং যাহা কোন ট্রেন কর্তৃক স্টেশনে ছুকিবার সময় বা স্টেশন হইতে ছাড়িবার সময় বা স্টেশনের উপর দিয়অ না থামিয়া চলিযা যাইবার সময় কিংবা দুই স্টেশনের মধ্যে চলিবার সময় ব্যবহৃত হয়। (37) চলন্ত ট্রেন: বলিতে এমন একটি ট্রেনকে বুঝায় যাহা অগ্রসর হইবার অধিকার লইয়অ যাত্রা শুরু করিয়াছে কিন্তু এখনও যাত্রা শেষ হয় নাই। (37-ক) অধা স্বয়ংক্রিয় সিগনাল: বলিতে এমন এক ধরনের স্থায়ী সিগনালকে বুঝায় যাহা হাত এবং ট্যাক সার্কিট উভয়ের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই সিগনালগুলিকে হাত দ্বারা স অথ অবস্থায় নেওয়া হইলেও কোন ট্রেন ইহাকে অতিক্রম করিয়অ যাওয়ার সাথে সাথে ইহা স্বয়ংক্রিয় ভাবে ডেনজার অবস্থায় ফিরিয়া যাায়। (38) বিশেষ নির্দেশ সমূহ: বলিতে নির্দিষ্ট ঘটনা বা বিশেষ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে জারীকৃত নির্দেশাবলকে বুঝায়। (39) বিশেষ ট্রেন: বলিতে িএমন ট্রেনকে বুঝায় যাহা সাধারণ ট্রেনও নয় আবার ব্যালাষ্ট ট্রেনও নয়। (40) স্টেশন: বলিতে কোন রেলওয়ের উপর অবস্থিত যে স্থানে ট্রাফিকের লেনদেন হইয়া থাকে তাহাকে বুঝায়। একটি ব্লক স্টেশন যেখানে কার্য পদ্ধতি অনুসারে কিংবা স্বয়ংক্রিয় সিগনাল দ্বারা অগ্রসর হইবার অধিকার দেওয়া হয় তাহাও পূর্বে উল্লিখিত স্টেশনের অন্তর্ভূক্ত । (41) স্টেশন সীমা: বলিতে রেল পথের সেই অংশকে বুঝায় যাহা একজন স্টেশন মাস্টার নিয়ন্ত্রণ করিয়া থাকে এবং উহা স্টেশনের সবচাইতে দূররর্তী সিগনালদ্বয়ের মধ্যে অবস্থিত। (42) স্টেশন মাস্টার : বলিতে েএমন কর্তব্যরত রেল কর্মচারীকে বুঝায় যিনি স্টেশন সীমার মধ্যে ট্রাফিক সংক্রান্ত সাধারণ কাার্যাবলির পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন। সাময়িক ভাবে সিগনাল ও পয়েন্ট পরিচালনা এবং আসিবার অনুমতি ও অগ্রসর হইবার অধকিার প্রদানের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত রেল কর্মচারীও ইহার অন্তর্ভূক্ত হইতে পারে। (43) স্টেশন এলাকা : বলিতে স্টেশন সীমার মধ্যে অবস্থিত এমন একটি এলাকা বুঝায় যাহা কোন অবরোধ এলাকার অংশ নয় এবং যাহা নিন্মবর্ণিত স্থান লিইয়া গঠিত। \\ (ক) জোড়া পথ:(ডাবল লাইন এলাকা) (1)একটি ‘এ ’ শ্রেণীর স্টেশনে প্রত্যেক দিকের স্টাটার এবং এডভান্স স্টাটার সিগনালের মধ্যবর্তী স্থান। (2)ি একটি ‘বি’শ্রেণীর স্টেশনে উহার প্রত্যেক দিকের হোম এবং সর্বশেষ স্টপ সিগনালের মধ্যবর্তী স্থান। অথবা (খ) একক পথ (সিঙ্গেল লাইন) এ্রর ‘বি’ শ্রেণী স্টেশনে: (1)এডভান্স স্টাটার সিগনাল দুইটির মধ্যবর্তী স্থান। (2) এডভান্স স্টাটার না থাকিলে শান্টিং সীমা বোর্ড (এস এল বি) বা নিরাপদ দূরত্ব বোর্ড দুইটির মধ্যবর্তী স্থান । অথবা (3) যদি ঐ স্টেশনে হোম বা এডভান্স স্টাটার সিগনাল বা শান্টিং সীমা বোর্ড না থাকে তাহা হইলে আউটারমোস্ট ফেসিং পয়েন্টের মধ্যবর্তী স্থান। (44) কার্য পদ্ধতি (সিস্টেম অব ওয়ার্কিং) বলিতে রেলওয়ের কোন অংশে ট্রেন পরিচালনার জন্য যে পদ্ধতিকে গ্রহণ করা হইয়াছে তাহাকে বুঝায়। (45) পশ্চাৎ পদ্ধতি: (টু ব্লক ব্যাক ) বলিতে কোন ব্লক স্টেশন হইতে জোড়া পথ এলাকার পিছনের স্টেশনে এবং একক পথ এলাকায় যে কোন দিকের ব্লক স্টেশনে অবরোধ এলাকাটিতে বাধা সৃস্টি করা হইয়াছে বা হইবে এই মর্মে একটি বার্তা প্রেরণ করাকে বুঝায়। (46) সম্মুখ অবরোধ করণ : বলিতে জোড়াপথ এলাকায় কোন ব্লক স্টেশন হইতে সামনের ব্লক স্টেশন পর্যন্ত অবরোধ এলাকাটিতে বাধা সৃস্টি করা হইয়াছে মর্মে একটি বার্তা প্রেরণ করাকে বুঝায়। (47) ট্র্যাক সার্কিট বলিতে রেল পথের রেল সহযোগে গঠিত একটি বৈদ্যুতিক সার্কিটকে বুঝায়। (48) রেল গাড়ী(ট্রেন) বলিতে গাড়ী ব্যতীত বা গাড়ী সহ এক বা একাধিক ইঞ্জিন , অথবা ট্রেইলর সহ বা ট্রেইলর ব্যতীত মোটর কোচ জাতীয় যে কোন ধরণের স্বয়ং চালিত যান, যাহাকে সহসা লাইন হইতে উঠাইয়া ফেলিতে পারা যায় না ,তাহাকে বুঝায়। (49) দুই অবস্থা সিগনাল: (টু আসপেক্ট সিগনাল) বলিতে এমন এক ধরণের ফিক্সড সিগনালকে বুঝায় যাহা দুইটি অবস্থার যে কোনটি প্রদর্শন করিতে পারে। (ক) সাধারণ নিয়ম : 1(6) এর ক্ষমতা বলে চীফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (সি ও পি এস) কার্যবিধি এবং নির্দেশাবলী জারী করিবার অধিকার প্রাপ্ত কর্মকর্তা \\ (খ) বিভাগীয় পরিবহণ কর্মকর্তা (ডি টি ও/ডি টি এস) এবং পরিবহণ তত্বাবধায়ক (এস, টি) দিগকেও ব্যক্তিগতভাবে নিজ নিজ বিভাগে কার্য বিধি জারী করার ক্ষমতা দেওয়া হইয়াছে। কেবল মাত্র জরুরী অবস্থায় উদ্ভূত প্রয়োজন ব্যতীত এবং শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট ডি, টি ও/ ডি, টি, িএস/এস, টি এর নামে ব্যতীত অন্য কোন কর্মকর্তার কার্য বিধি জারী করিবার অধিকার নাই। (গ) প্রত্যেকটি কার্য বিধি এবং নির্দেশকে অতি অবশ্যই সাধারণ এবং আনুষঙ্গিক নিয়মাবলীর সহিত সংগতিপূর্ণ হইতে হইবে। (ঘ) স্টেশন কার্য বিধি সমূহকে ব্যবহারে আনিবার পূর্বে নিন্মবর্ণিত ক্ষেত্র বিশেষে অবশ্যই তাহা সংশ্লিষ্ট ডি, এস/ডি, আর ,এম কর্তৃক সরকারী পরিদর্শকের (জি, আই, বি, আর) কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠাইতে হইবে। (অ) যদি তাহাতে এমন কোন বিষয় জড়িত থাকে যাহার জন্য সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী অনুমোদিত বিশেষ নির্দেশ এর প্রয়োজন আছে , অথবা (আ) যদি তাহাতে ইন্টারলকিং বা স্থায়ী সিগনালের পরিবর্তন বা পরিবর্ধনের কোন বিষয় জড়িত থাকে। আ:নি:2: এই সমস্থ আনুষঙ্গিক নিয়ম এবং নোটে (টাকা) যথনই বাংলঅদেশ রেলওয়ে শব্দটি ব্যবহৃত হইবে তখনই তাহার দ্বারা বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রশাসন পরিচালিত সব কয়টা প্রধান ও অন্যান্য পথকে বুঝাইবে।