BD Railway Tools

← All General Rules · GR 160

security system of accident

দূর্ঘটনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা:160

নিরাপত্তা নিশ্চিত করণের জন্য কর্তব্য কর্ম: 161: (ক) প্রত্যেক রেলওয়ে কর্মচারী : (1) জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করিবার জন্য সর্বাত্তক চেষ্টা করিবেন। (2) যদি তাহার নজরে যে, কোন ঘটনার ফলে নিরাপদ এবং যথাযথ রেলেওয়ে পরিচালন বিঘ্নিত হইতে পারে, তাহা হইলে সংগে সংগে উহা তাহার নিকটতম উপর ওয়ালাকে অবহিত করিবেন। এবং (3) দূর্ঘটনা অথবা বাধার ক্ষেত্রে চিাহিবার সম্ভাব্য সকল সহায়তা প্রদান করিবেন। (খ) প্রত্যেক রেলওয়ে কর্মচারী , যিনি লক্ষ্য করেন যে, (1) কোন সিগনাল ত্রুটিযুক্ত আছে, (2) স্থায়ীপথ বা পূর্তকর্মের কোন অংশে কোন রূপ অস্ভাবাবিক অবস্থা আছে , অথবা (4) কোন অস্বভাবিক পরিস্থিতি কর্তৃক ট্রেন সমূহের নিরাপদ চলাচল বা জনসাধারণের নিরাপত্তা ব্যাহত করিবার সম্ভাবনা আছ। তিনি দূর্ঘটনা নিবারণের জন্য অবিলম্বে অবস্থঅয় পরিপ্রেক্ষিতে ব্যবস্থঅ গ্রহণ করিবেন এবং যেখানে প্রয়োজন সম্ভাব্য দ্রুততম পন্থায় নিকটতম স্টেশন মাষ্টারকে অবহিত করিবেন। আ:নি: 161 ক: বিশেষ গতি নিয়ন্ত্রণের বিজ্ঞপ্তি: (1) একটি বিশেষ এলাকায় গতিনিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তিদাতা প্রকৌশল কর্মচারীদের উচিত হইতে তাহাদের গতিনিন্ত্রণ বার্তা বিভাগীয় ট্রাফিক তত্বাবধায়ক/বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তাকে অনুলিপি প্রদান সহ উক্ত এলাকায় উভয় পাশে স্টেশন মাষ্টারগণকে প্রদান করা। এই সকল স্টেশনে বিরতিসম্পন্ন ট্রেনের চালকগণকে সতর্ক করিবেন এবং ইহা ছাড়াও যে লাইনের উপর গতি নিয়ন্ত্রিত হইয়াছে উহার নিকটতম স্টেশন মাষ্টার বিভাগীয় ট্রাফিক তত্বাবধায়ক/বিঘাগীয় পরিবহণ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত তালিকা অনুযায়ী সংশ্লিণষ্ট সকল বিভাগের সকল কর্মচারীকে ঐ নিয়ন্ত্রণের বিবরণ সম্বলিত একটি বার্তা দ্বারা অবহিত করানোর জন্য দায়ী থাকিবেন। যদি কোন স্টেশনে কোন ট্রেন বিরতিহীনভাবে অতিক্রম করিয়া যাওয়া হয় তখন বাধাগ্রস্থ অংশের উভয় পাশের স্টেশন মাষ্টারগণ তাহার নিজের দিকের শেষ যে স্টেশনে এইরূপ ট্রেন থামার কথা সেই স্টেশন মাষ্টারকে এই গতিনিয়ন্ত্রণ বার্তা প্রেরণ করিয়া প্রাপ্তিস্বীকার লইয়া সংষ্লিষ্ট চালককে যথাযখ লিখিত পরামর্শ দিতে বলিবেন এবং উক্ত স্টেশন মাষ্টার তখন এই ধরণের ট্রেনের চালককে যথারীতি সতর্কতা ্‌াদেশ দিবেন। উপরোক্ত গতিনিয়ন্ত্রণ বার্তার প্রাপ্তি স্বীকার না পাইলে বা সতর্কতা নির্দেশ দিবার পীর্বেই ট্রেনটি পূর্ব স্টেশন ছাড়িয়া চলিয়া আসিলে এ ট্রেনটিকে সতর্কতা আদেশ প্রদানের জন্য বাধাগ্রস্থ অংশের পাশ্ববর্তী স্টেশনের স্টেশন মাষ্টার নিজ স্টেশনে থামাইবেন্ বিভাগীয় ট্রফিক তত্বাবধায়ক/বিভাগীয় পরিবহণ কর্মকতৃঅ কর্তৃক প্রদত্ত কর্মচারীদের নামের তালিকা প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য প্রতিটি স্টেশনের স্টেশন কার্যবিধিতে অন্তর্ভুক্ত থাকিবে। নির্বাহী প্রকৌশল /বিভাগীয় প্রকৌশলী প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে লাইনের যে অংশে গতি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হইয়াছে। উহা স্বায়ী সিগনাল দ্বারা লাইনের নিয়ন্ত্রিত গতির বিষয়ে গেজেটে প্রকাশিত হইবার পর আর কোন সতর্কতা আদেশ চালককে দিতে হইবে না। (সাধঅরণ নিয়ম : 304 ,347 এবং উহাদের আনুষঙ্গিক নিয়মাবলী দ্রষ্টব্য) (2) যে সমস্থ গতি নিয়ন্ত্রণ গেজেটে বিজ্ঞাপন প্রকাশের দ্বারা আরোপিত হইয়াছে সেই সমস্থ গতি নিয়ন্ত্রণ বা তাহার কোন দফা গেজেটের পরবর্তী কোন সংখ্যায় বিজ্ঞাপন প্রকাশের দ্বারা রহিত করিতে হইবে এবং এইরূপে রহিত করিবার পূর্ব পর্যন্ত উহা বলবৎ থাকিবে। যে সমস্থ অস্থায়ী গতি নিয়ন্ত্রণ গেজেটে বিজ্ঞাপিত হয় নাই তাহা রহিত করিতে একজন যোগ্য প্রকৌশল কর্মচারী গতিনিয়ন্ত্রিত লাইনের উভয় পাশের স্টেশন মাষ্টারদ্বয়কে অবহিত করিবেন এবং তাহারা উক্ত গতি নিয়ন্ত্রণ আরোপের সময় যাহাদিগকে অবহিত করিয়াছিলেন তাহাদের সকলকে এই গতি নিয়ন্ত্রণ অপসারণের বিষয় জ্ঞাত করাইবেন। ৃআ:নি: 161 খ : বিশেষ গতি নিয়ন্ত্রণের বিজ্ঞপ্তি : ইঞ্জিন বদলাইবার স্টেশন সমূহে লোকো ফোরম্যাগন 49 ক এবং 161 ক আনুষঙ্গিক নিয়মের অধীনে জাপরীকৃত বিশেষ নির্দেশাবলীর সকল বিজ্ঞপ্তি সংরক্ষণ এবং চালকগণকে সেই বিষয়ে অবগত করাইবার জন্য দায়ী থাকিবেন। আ:নি:161 গ: চলন্ত অবস্থায় ট্রেনে উঠা বা ট্রেন হইতে নামা: চলন্ত অবস্থায় ট্রেনে উঠা বা ট্রেন থেকে নামা হইতে যাত্রীদিগকে বিরত রাখিতে হইবে এবং রেলওয়ে কর্মচারীগণ , কোন অবস্থাতেই , চলন্ত অবস্থঅয় কোন গাড়ীর দরজা খুলিবেন না কিংবা উঠা নামায় রত কোন যাত্রীকে কোনরূপ সহায়তা করিবেন না। যদি কোন যাত্রী চলন্ত ট্রেনে উঠিতে গিয়া উহার এত নিকটে আসিয়া পড়ে[ন যাহা তাহার জন্য বিপদজনক তবে তাহাকে একা ছাড়িয়া দেওয়া হইবে। কিন্তু তিনি যদি অক্ষত অবস্থঅয় উঠিয়া পড়িতে সমর্থ হন , তবে তাহার বিবরণ পরবর্তী স্টেশনে বাতৃঅর মাধ্যমে জানাইতে হইবে যেন তাহাকে খুজিয়া পাওয়া যায় এবং শাস্তি প্রদানের জন্য বিচারাথর্ে সোপপার্দ করা যায়। যদি ঐ যাত্রী ট্রেনে উঠিবার চেষ্টা করা কালে পা পিছলাইয়া যান কিংবা অন্য কোন বিপদাপন্ন হন, তখন তাৎক্ষণাৎ ট্রেনটিকে থামানো হইবে এবং সম্ভব হইলে যাত্রীটিকে নিরাপদ অবস্থঅনে নেওয়ার ব্যাপারে সহায়তা করা হইবে, কিন্তু বিপদাপন্ন হইবার পূর্বে তহাকে বিভ্রন্ত করিবার জন্য কিছু করা বা অন্য কোনভাবে তাহার ঝুকি বাড়ানো যাইবে না।অনুরূপভাবে চলন্ত অবসআয় ট্রেন হইতে নামিবার কালে কোন যাত্রীকে তাহার বিপদ না বাড়াইয়া ত্বরিৎ ব্যবস্থা দ্বারা তাহাকে থামানো গেলে অনুরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে। কিন্তু তিনি যদি নামিবার উপক্রম করেন ও বিপদাপন্ন না হন, তবে ট্রেন থামিবার আগে তাহাকে বিঘ্নিত করা হইবে না এবং ট্রেন থামিবার পরে তাহার বিচারের জন্য প্রয়োজনীয় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গৃহীত হইবে। আ:নি: 161 ঘ: মেরামতাধীন স্থান সমূহে আলোর ব্যবস্থা: যখনি কোন প্লাটফর্ম, স্টেশন ভবন, প্রবেশ পথ প্রভৃতি মেরামতাধীন থাকে িএবং তথায় খোলা জায়গায় গর্তে কিংবা অস্থায়ী বাধায় যাত্রী বা অন্যান্যদের চোটট খাইয়া পড়িবার সম্ভাবনা থাকে, তখন উক্ত স্থানসমূহ আলোকিত করিতে হইবে এবং স্টেশন মাষ্টার নিজে বা প্রকৌশল বিভাগ কর্মী দ্বারা এই ব্যবস্থা নিশ্চিত করিবেন। আ:নি:161 ঙ: স্লীপারে অগ্নিকান্ড: গার্ড এবং চালকগণ কোন স্লীপার বা লাইনের কাঠে নির্মিত কোন অংশে অগ্নিকান্ড দেখিবার সাথে সাথে থামিবেন ও সতর্কতার সহিত উহা সম্পর্ণরূপে নির্বাপিত করিবেন এবং নিশ্চিত হইবেন যে, অকুস্থল ত্যাগ করিবার সময় সেখানে দগ্ধ হইবার মত কিছু ফেলিয়া রাখেন নাই। নিকটতম স্থায়ীপথ কর্মীদলকে তৎক্ষণাৎ ঘটনাটি জানাইতে হইবে এবং ট্রেনটি প্রথমে যে স্টেশনে থামে সেই স্টেশনের স্টেশন মাষ্টারকেও ঘটনাটি সম্পর্কে অবহিত করিতে হইবে। জরুরী অবস্থায় ট্রেন কর্মচারীগণ পানি পাইবার জন্য ও অগ্নি নির্বাপনে সাধারন সহায়তা করিবার জন্য যে কোন পথচারী বা পাশ্ববর্তী গ্রামবাসীর সাহায্য চাহিতে এবং উহার জন্য যথাযথ পারিতোষিক প্রদান করিতে বা প্রদানের অংগীকার করিতে পারেন। (আ:নি:205 দ্রষ্টব্য) আ:নি: 161 চ: গার্ড এবং চালক কর্তৃক পথিমধ্যস্থ বাধাবিঘ্নের সংবাদ প্রদান: গার্ড এবং চালক পথিমধ্যের যে কোন বাধাবিঘ্ন বা বিপদজনক অবস্থা সম্পর্কে পরবর্তী স্টেশন মাষ্টারকে অবহিত করিবেন। ভ্রমণ শেষে , গার্ড তাহার ভ্রমণ বৃত্তান্তে এই বিষয়ে একটি অন্তুর্ভুক্তির মাধ্যমে বিভাগীয় ট্রাফিক তত্বাবধায়ক বিঘাগীয় পরিবহণ কর্মকর্তা এবং চালক তাহার টিকেটে অন্তর্ভ্ক্তির মাধ্যমে লোকোমোটিভ ফোরম্যঅনকে অবহিত করিবেন। আ:নি: 161 ছ: দূর্ঘটনা পরিস্থিতিতে রেলওয়ে কর্মচারীদের কর্তব্য: দূর্ঘটনার ক্ষেত্রে , সকল রেলেওয়ে কর্মচারী, তিনি কর্তব্যরত থাকুন বা না থাকুন ট্রেনসমূহের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত সমূহ প্রদর্শন করিবেন এবং স্বীয় ক্ষমতার মধ্যে সব রকম সহায়তা প্রদান করিবেন। আ:নি: 161 জ: কঝমের ক্ষেত্রে ডাক্তারী সহায়তা: যাত্রী বা কর্মচারীগণের যে কোন মারাত্নক জখমের ক্ষেত্রে , যত শীঘ্র সম্ভব তাহাকে ডাক্তারী সহায়তা প্রদান করিতে হইবে। হাসপাতালে প্রেরণ কিংবা আত্নীয়পরিজন বা বন্ধু বান্ধবের নিকট হস্তান্তরের পূর্ব পর্যন্ত যথাযভাবে তাহার সেবা যত্ন করিতে হইবে। পুলিশ এবং মেডিকেল কর্মকর্তাগণকে মারাত্নক দূর্ঘটনাস্থলে পেূছিতে সকল প্রকার সাহায্য প্রদান করিতে হইবে। কোন আহতের জীবন রক্ষার্থে এবং কোন মেডিকেল কর্মকর্তার নিকট পৌছাইয়অ দিতে ট্রলী সমূহের ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণ উহাদেরকে প্রেরণ করিতে পারেন। যে কোন ট্রেন বিলম্বিত করিয়া ইঞ্জিন কাটিয়া পাঠানো যাইতে পারে বা মালগাড়ীর লোড কমাইয়া উহাকে মেইল ট্রেনের গতিতে চালাইয়া ঘটনাস্থলে লওয়া যাইতে পারে। মারাত্নক দূর্ঘটনার ক্ষেত্রে কাছে কোন যাত্রীবাহী ট্রেন থকিলে স্টেশন মাষ্টার এবং গার্ডগণ যাত্রীদের মধ্যে কোন ডাক্তার আছেন কিনা তাহা খুজিয়া দেখিবেন। আ:নি: 161 ঝ: লাইন বাধামুক্ত করণ: কোন দূর্ঘটনার ক্ষেত্রে , লােইনটি পরিষ্কার করার অর্থাৎ সকল ক্ষতিগ্রস্থ ইঞ্জিন এবং গাড়ী অপসারণের প্রাথমিক দায়িত্ব লোকোমোটিভ বিভাগের এবং অন্যান্য সকল বিভাগ যথোচিতভাবে তাহাকে সাহায্য করিবেন। আ:নি:161 ঞ: লাইন পুন: চালু করণ: (1): দুর্ঘটনার কারণে যদি লাইনটি বিচ্ছিন্ন য় বা অন্য কোন ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয় তবে প্রকৌশল বিভাগ লাইনটি পুণরায় চালু করার জন্য দায়ী থাকিবেন। লাইনটিকে পুনরায় ট্রেন চলাচলের জন্য নিরপদ বিবেচনা করা যাইবে না যতক্ষণ না প্রকৌশল বিভাগীয় ্কজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা লিখিতভাবে পরিবহণ বিভাগীয় এজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তাকে সেই বিষয়ে অবহিত করেন। (2) স্টেশন সীমাভুক্ত গুডস সাইডিং সমূহের ক্ষেত্রে সরবরাহকৃত ক্রমিক নম্বরযুক্ত বহি হইতে একটি পাতা খুলিয়া ত্রুটি মেরামতকৃত ও সাইডিংটি ব্যবহার উপযোগী হইবার প্রত্যায়নপত্র হিসাবে প্রকৌশল বিভাগের লাইন মিস্ত্রী পরিবহন বিভাগের কর্মচারীর নিকট হস্তান্তর করিবেন। পরিবহণ বিভাগের কর্মীর নিকট প্রত্যায়নপত্রটি হস্তান্তরিত করিয়া অবশ্যই সংখ্যায়কপতে তাহার দস্তখন লইতে হইবে। আ:নি: 161 টি রিলিফ ট্রেন সমূহ: রিলিফ ট্রেনসমূহের দায়িত্বে নিয়োজিত ফোরম্যান এবং অন্যান্যরা রিলিফ ট্রেনকে সর্বদা কার্যপোযগী ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সম্পূর্ণ রাখার জন্য দায়ী থাকবেন। ‘এ’ শ্রেণীর দূর্ঘটনা ভ্যান বা রিলিফ ট্রেন সমূহের সকল অবস্থাতেই একটি মেডিকেল ষ্টে রাখিতে হইবে। (পরিষশষ্ট 7 এর সংযুক্তি খ দ্রষ্টব্য) (2) রিলিফ ট্রেনের টুল ভ্যানে প্রকৌশল যন্ত্রপাতি এবং সরঞ্জামি কার্যপোযোগি ও পূর্ণাঙ্গ রাখার জন্য বিভাগীয় প্রকৌশলী দায়ী থাকিবেন িএবং তিনি ্কজন কর্মকর্তা ব স্থায়ীপথ পরিদর্শক দ্বরা ইহাদের ত্রৈমাসিক পরিদর্শনের ব্যবস্থা করিবেন। (3) (3) সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী ব্যক্তিগতভাবে প্রতি তিন মাসে একবার রিলিফ ট্রেনটি এবং ইহার সরঞ্জামাদি পরিদর্শন করিবেন এবং প্রতিবার দূর্ঘটনায় ব্যবহার জনিত ঘাটতি পূরণ নিশ্চিত করিবার জন্য তিনি দায়ী থাকিবেন। (4) বিভাগীয় মেডিকেল কর্মকর্তা নিধারিত ঔষধ সমূহের মজুদ এবং শল্য সরঞ্জামাদি যথাযথভাবে মেডিকেল চেষ্টা রক্ষা করার জন্য এবং যন্ত্রপাতি ও ঔষধ পত্রাদি যথার্থ কার্যকর অবস্থায় রাখার জন্য দায়ী থাকিবেন। আ:নি: 161 ঠ: ট্রেন সমূহে অগ্নিকান্ড: (অ) কোন যাত্রীবাহী ট্রেনে অগ্নিকান্ডের ক্ষেত্রে যাত্রীদের নিরাপত্বতার দিকে প্রথমে নজর দিতে হইবে। কোন ডাক বিভাগীয় ভ্যানে অগ্নিকান্ড পরিলক্ষিত হইলে সরকারী ডাক রক্ষার জন্য সব রেকম চেষ্টা করা হইবে। আ:নি: কোন চলন্ত ট্রেনে অগ্নিকান্ড লক্ষ্য করা গেলে চালক তাৎক্ষণাৎ ট্রেনটি দাঁড় করাইবেন, অগ্নিকান্ডে পতিত গাড়ী হইতে পিছনের গাড়ীগুলি বিচ্ছিন্ন করা হিইবে, অতঃপর ট্রেনটির সম্মুখের অংশ সামনে অগ্রসর হইবে যাহাতে পিছনের গাড়ীগুলিতে আগুন ছড়াইয়া পড়িতে না পারে। যেইমাত্র ট্রেনটির সম্মুখাগ উক্ত উদ্দেশ্য পূরণের মত যথেষ্ট দূরত্বে আসিয়া পৌছাইবে অমনি প্রজ্জলিত গাড়ীটিকে বিচ্ছিন্ন করা হইবে এবং উহর সম্মুখস্থ অংশটি নিরাপডদ দূরত্বে সরাইয়া নিতে হইবে। অতঃপর উহার অগ্নি নিবারপন এবং ভিতরের দভ্যাদি রক্ষার জন্য সব রকম চেষ্টা করা হইবে।কিন্তু অনুরূপ চেষ্টা ব্যর্থ হইলে উহাকে নিঃশেষে জ্বলিতে দেওয়া হইবে। গাড়ীটির চাকা এবং অন্যান্য লৌহ নির্মিত অংশগুলি সম্ভবপর হ্ওয়া মাত্র লাইন হইতে সরাইয়াফেলা হইবে এবং অতঃপর ট্রেনট সংযুক্ত করিয়া অগ্রসর হইবে। অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র অনতিবিলম্বে ব্যবহার করিতে হইবে। মাটি বা বালি যদি পাওয়া যায়, তাহাও কাজে লাগানো হইবে। যদি জানা যায় যে উক্ত স্থান হইতে স্বল্প দূরত্বের মধ্য পানি পাওয়া যাইবে তবে প্রজ্জ্বলিত গাড়ীটিকে উক্ত স্থান পর্যন্ত নেওয়া নিরাপদ বিবেচিত হইলে উহাকে সেখানে ওনওয়া যাইবে। অবশ্য বেশীর ভাগ বিষয় নির্ভর করিবে গাড়ীর ভিতরকার দ্রভ্যাদির প্রকৃতি আগুনের বিস্তার এবং অন্যান্য গাড়ী গুলির অগ্নিদগ্ঘ হইবর সম্ভাবনার উপর । গার্ড এবং চালক এই রূপ ক্ষেত্রসমূহে নিজেদের বিবেচনাক কাজে লাগাইবেন। কিন্তু কোন কোন অবস্থাতেই উপরোক্ত কোন চেষ্টা করা সমীচীন হইবে না, যতক্ষন না প্রথমে প্রজ্জ্বলিত গাড়ীটির পিছনের অংশ বিচ্ছিন্ন করা হয়।