ঠেলা ইঞ্জিন:91
ঠেলা(পুলিং) ইঞ্জিন : 91:
বিশেষ নির্দেশের সহিত সংগতি না রাখিয়া এবং ঘন্টায় 24 কিলোমিটারের অধিক গতিতে কোন ইঞ্জিন বা স্বয়ংচালিত যান কোন ট্রেনকে স্টেশন সীমার বাহিরে ঠেলিয়অ নিবে না, তবে অনুমোদিত বিশেষ নির্দেশৈ সংযোগবিহিন অবস্থায় চলাচলের অনুমতি প্রাপ্ত ট্রেনের পিছনে লাগানো কোন সাহায্যকারী ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হইবে না। ইঞ্জিনের সম্মুখভাগে এক বা একাধিক গাড়ীযুক্ত কোন পেট্রল বা সার্চলাইট স্পেশাল ঘন্টায় সর্বোচ্চ 40 কিলোমিটার গতিবেগে চলিতে পারিব্ এই ধরণের স্পেশাল ট্রেনসমূহে স্টেশন সীমার বাহিরে ঠেলিয়া নেওয়া ট্রেনের জন্য আনুষঙ্গিক নিয়মে বর্ণিত সম্মুখ , পশ্চাৎ এবং পাশ্ব বাতিসমূহ ব্যবহৃত হইবে এবং ইহারা অবশ্যই সম্পূর্ণরূপে ভ্যাকুয়াম ব্রেক সংযোজিত হইবে।
আ:নি: 91 ক : কোন স্টেশনে ফিরিয়া আসিবার যথাযথ অধিকারপ্রাপ্ত খোয়াবাহী ট্রেন ব্যতীত অন্য কোন ট্রেনকে যদি কোন স্টেশনে ফিরাইয়া আনিবার প্রয়োজন দেখা দেয়, তাহা হইলে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট গার্ড ট্রেনটির কমপক্ষে 550 মিটার বা 600 গজ সামনে থকিয় সম্পূর্ণ পথ বিপদজ্ঞাপক সিগনাল দেখাইতে দেখাইতে হাটিবেন এবং ট্রেনটি অবশ্রই ধীরগতিতে গার্ডকে অনুসরণ করিবে।
আ:নি: 91 খ : ট্রেনের সহিত সংযুক্ত নহে এমন কোন ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে এইরূপ ঘটিলে চালক অবশ্যই তাহার সহচালককে ইঞ্জিনটির সামনে পাঠাইয়া দিবেন এবং ইঞ্জিনসহ তাহাকে অনুসরণ করিবেন।
আ:নি: 91 গ: যখন কোন খোয়াবাহী ট্রেনকে, যে স্টেশন হইতে উহা ছাড়িয়া গিয়ছিল সেই স্টেশনে ঠেলিয়া নিবার প্রয়োজন দেখা দেয়, তখন বিষয়টি অবশ্যই লাইন ক্লিয়ার টিকেটে লিপিবদ্ধ করা হইবে।
আ:নি: 91 ঘ: যখন কোন ট্রেনকে কোন স্টেশনে ঠেলিয়া আনিবার অধিকার সম্বলিত লাইন ক্লিয়ার টিকেট প্রদান করা হয় তখন আনুষঙ্গিক নিয়ম (ক) এ বর্ণিত সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ নিষ্প্রয়োজন। স্টেশন সীমার বাহিরে ঠেলিয়া নিবার আদেশসহ কোন ট্রেন কোন স্টেশন ত্যাগ তরিলে উহার সামনের গাড়ীটিকে অবশ্যই ব্রেক ভ্যান হইতে হইবে ,এবং সূর্যাস্তের পরে ও অপরিষ্কার , কুয়াশাচ্ছন্ন অথবা ঝড়ো আবহাওয়ায় উহা অবশ্যই যে দিকে যাইতেছে সেইদিকে কমপক্ষে দুইটি আলো প্রদর্শন করবে যাহার ম্যধ্যে অন্ততঃ একটিকে অবশ্যই লাল হইতে হইবে। দ্বৈত পথ এলাকায় সঠিক গতিপথে ঠেলিয়া নিবার সময় দুইটি সাদা আলো প্রদর্শিত হইবে, ইঞ্জিনে পিছনের বাতি প্রদর্শিত হইবে এবং গার্ড অবশ্যই সামনের গাড়ীতে অবস্থান করিবেন।
আ:নি: 91 ঙ: ঠেলা ট্রেন গ্রহন: কোন স্টেশন ছাড়িয়া যাইবার পর কোন ট্রেনকে অনিবার্য কারণে উক্ত স্টেশনে ঠেলিয়া নিতে হইলে , উহাকে প্রথমে আউটার সিগনালের গোড়ায় অথবা স্ট্যাটার সিগনাল হইতে নিরাপদ দূত্বে দাঁড় করােইয়া তাহার পর একজন স্টেশন কর্মী দ্বারা সেই স্থান হইতে পথ প্রদর্শনের মাধ্যমে আগাইয়া নেওয়া হইবে। (সা:নি: 31 এর আ:নি: 31 ছ দ্রষ্টব্র)
আ:নি: 91 চ ঠেলা (পুশিং) ট্রেনের গতিসীমা: সামনের গাড়ীটি ব্রেক ভ্যান হইলে উক্ত ঠেলা ট্রেনের গতিবেগ ঘন্টায় 24 কিলোমিটারের অধিক হইবে না। কিন্তু সামনের গাড়ীটি ব্রেক ভ্যান না হইলে উহার গতিবেগ ঘন্টায় 8 কিরোমিটারের বেশী হইবে না।
আ:নি:91 ছ (1): সাহায্যকারী ইঞ্জিন পরিচালনার নিয়মাবলী:
কোন ট্রেন পরিচালনার কাজে একাধিক ইঞ্জিন হিসেবে ব্যবহৃত হইলে সামনের ইঞ্জিনটি ছাড়া বাকী সকল ইঞ্জিনকে সাহায্যকারী ইঞ্জিন হিসেবে অভিহিত করা হইবে। সাহায্যকারী ইঞ্জিনকে সামনের ইঞ্জিনটির ঠিক পেছনে অথবা ট্রেনটির পশ্চাদভাবে সংযুক্ত করা যাইতে পারে অথবা ট্রেনের পেছনের দিকে অসংযুক্ত অবস্থায় কাজ করানো যাইতে পারে।
(2) সামনের ইঞ্জিনের চালক সিগনালসমূহ মানিয়া চলিবার দায়িত্ব পালন করিবেন এবং অন্যান্য ইঞ্জিন বা ইঞ্জিন সমূহের চালক বা চালকগণ সামনের ইঞ্জিনের চালক প্রদত্ত সিগনালসমূহ পর্যবেক্ষণ ও পালন করিবেন।
(3) ট্রেন ছাড়িবার প্রাক্কালে , সামনের ইঞ্জিনের চালক একবার লম্বা বাঁশি বাজাইবেন এবং এবং একইভাবে সাহায্যকারী ইঞ্জিন বা ইঞ্জিনসমূহের চালক উহার প্রাপ্তি স্বীকার করিবেন। থামাইবার সময় প্রথমে সামনের ইঞ্জিনের চালক তাহার ইঞ্জিন বন্ধ করিবেন ।
(4) কো) ট্রেন বিভক্ত (পাটিং) হইলে সামনের ইঞ্জিনের চালক নির্ধারিত কোড বাশী বাজাইবেন । সা:নি: 130 এর আ:নি: 130 ক (5) অনুযায়ী এবং সাহায্যকারী ইঞ্জিনের চালক একই সাংকেতিক বাাশি বাজাইয়া উহর প্রাপ্তি স্বীকার করিবেন। ইহা ট্রেনের চালকের প্রতি গার্ডের প্রয়োজনীয় নিধারিত সিগনালের অতিরিক্ত সিগনাল ।
(খ) ট্রেনের পিছনের অংশ সংযুক্ত সাহায্যকারী ইঞ্জিনের চালক, তীক্ষ্র নজর রাখিবেন এবং ট্রেনটির বিভক্ত অংশটিকে হাত ব্রেক প্রয়োগের মাধ্যমে একেবারে থামাইয়া দিবেন, ইহার পর উভয় বালক সাধনি: 164 এবং 167 অনুসারে নিজ নিজ অংশের নিরপত্তা নিশ্চিত করিবেন।
(5) (ক) কোন ট্রেন পরিচালনায় যখন দুইট ইঞ্জনে একত্রে কাজ করে, তখন স্থানীয় নিয়মে বিকল্প বিধান না থাকিলে,অটোমেটিক ভ্যাকুয়াম ব্রেক ব্যবহারের দায়িত্ব সামনের ইঞ্জিনের চালকের । তবে জরুরী অবস্থায় দ্বিতীয় ইঞ্জিনের চালক প্রয়োজন অনুসারে তাহার স্বয়ংক্রিয় অথবা হাত ব্রেক প্রয়োগ করিয়া ট্রেন থামাইতে বা উহার গতি কমাইতে সহায়তা করিনেব, কিন্তু তিনি কোন অবস্থাতেই ভ্যাকুয়াম রক্ষণ বা পুনরুৎপাদন করিবেন না।
(খ): যখন কোন ট্রেনকে ঠেলিবার জন্য একটি অতিরিক্ত ইঞিন ব্যবহৃত হয়, তখন উহার চালক, ট্রেনের পশ্চাদপসারণের করণে াসমনের চালকে পরিণত হওয়া ব্যতীত অন্য েোন অবস্থায় , ভ্যাকুয়াম ব্রেক ব্যহারে বিঘ্ন ঘটাইবেন না যাহা (ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সামনের ইঞ্জিনের চালকের নিয়ন্ত্রণে থাকিবে।
(6) ট্রেনের পশ্চাদভাগে অবস্থিত অসংযুক্ত সাহায্যকারী ইঞ্জিনের জন্য প্রযোজ্য অতিরিক্ত নিয়মাবলী: যে সকল সেকশনে কোন ট্রেনের পশ্চাদবর্তী সাহায্যকারী ইঞ্জিনকে সংযুক্ত করা হয় না, সেখানে সামনের ইঞ্জিনের চালক যখন বুঝিবেন যে, সাহায্যকারী ইঞ্জিনের সাহায্যের আর প্রয়োজন নাই তখন তিনি একবার লম্বা বাঁশি বাজাইয়া তাহা জানাইয়া দিবেন। এই সিগনাল পাইয়া সাহায্যকারী ইঞ্জিনের চালক একবার লম্বা বাঁশি বাজাইয়অ ইহার প্রাপ্তি স্বীকর করিবেন এবংং তাহার ইঞ্জিনটিকে থামাইবেন, অতঃপর তিনি উক্ত সেকশনের স্থানীয় পরিচালন নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করিবেন। সাধানণত: সাহায্যকারী ইঞ্জিনকে ছাড়িয়া দিবার স্থানটি বিশেষ খুটি দ্বারা চিহ্নিত থাকিবে।
(7) অগ্রাধিকার : ক্রসিং এর বেলায় চাড়াই (আপ গ্রেডিয়েন্ট) অভিমুখে আগত ট্রেনটিকে প্রথমে গ্রহণ করা হইবে।
(8) শ্রেণী বিভক্ত করাণ: ট্রেন ইঞ্জিনের পিছনে চালূ ভ্যাকুয়াম ব্রেক স্টক সমূহ সংযুক্ত হইবে এবং একইভাবে, পাওয়া গেলে , ট্রেনের পিছনে কোন সাহায্যকারী ইঞ্নিন সংযুক্ত হইলে ঠিক সামনে ভ্যাকুয়াম ব্রেক ষ্টক সংযুক্ত থাকিবে।