দুর্ঘটনার সংবাদ পাওয়া মাত্র কন্ট্রোলারের কাজ
কন্ট্রোল বিহীন এলাকায় সংঘটিত দুর্ঘটনার সংবাদ প্রেরণের জন্য সরকারী টেলিগ্রাফ ব্যবস্থার ব্যবহার:
যতি রেলওয়ে টেলিগ্রাফে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত থাকে তবে দুর্ঘটনা সংক্রান্ত বার্তা পোষ্ট ও টেলিগ্রাফ যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবত থাকে তবে দুর্ঘটনা সংক্রান্ত বার্তা পোষ্ট ও টেলিগ্রাফ ম্যানুয়াল , একাদশ ভলিউম , প্রথম ও দ্বিতীয় খন্ড এর 219 (ই) (এফ) জি এবং এইচ ধারা অনুসারে সরকারী টেলিগ্রাফ লাইনে বদলী করিতে হইবে।
দুর্ঘটনার তারবার্তা বিলি: 010:
(1) দুর্ঘটনার তারবার্তা পাওয়ার পর স্টেশন অথবা তার অফিস উক্ত তারবার্তা যথা সত্বর বিলি করিবার জন্য তৎপর হইবে। স্টেশন অথবা তার অফিসের ডাইরীতে দুর্ঘটনা সংক্রান্ত তারবার্তা বিলির ক্রম নিন্মে দেখানো হইল।
(ক) উদ্ধারকারী ট্রেনের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা, যদি সাহায্যর প্রয়োজ নয়।
(খ) মেডিকেল অফিসার , যদি চিকিৎসা সংক্রান্ত সাহায্যের দরকার হয়।
(গ) সাবডিনেট কর্মকর্তাগণ (ঘ) বিভাগীয় কর্মকর্তাগণ
(ঙ) পুলিশ (চ) বিভাগীয় প্রধানগণ, রেলওয়ে বোর্ডের সচিচ/ বাংলাদেশ রেলওয়ের মহা পরিচালক , বাংলাদেশ রেলওয়ের সরকারী পরিদর্শক।
(2)21 টা থেকে 7 পর্যন্ত অথবা ছুটির দিনে নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে প্রাপ্ত দুর্ঘটনা তারবার্তাও গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বিভাগীয় কন্টোলার কর্তব্যরত কন্ট্রোলার অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকে জানাইবেন। বিভাগীয় কন্টোলার এই তারবার্তার উপরে বর্ণিত ঠিকানায় ক্রম অনুসারে ফোনের মাধ্যমে পৌছাইবার জন্য একজন দায়িত্ববান পেলিফোন ক্লর্ক নিযুক্ত করিবেন।
(3) উদ্ধারকারী ট্রেন ব্যবস্থা করার ক্ষেত্রে উক্ত ট্রেন ছাড়িবার আনুমানিক সময়ও জানাইতে হইবে যহাতে দুর্ঘটনাস্থলে যাত্রাকারী কর্মকর্তাগণ এই ট্রেন ধরিতে পারে। কেন কর্মকর্তার নিকট হইতে কোন নির্দেশ পাওয়া গেলে তাহা লিপিবদ্ধ করিতে হইবে এবং বিভাগীয় কর্তর্বরত কন্ট্রোলারকে জানাইতে হইবে যিনি এতদ্বিষয়ে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
দুর্ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কন্ট্রোলারের গ্রহণীয় ব্যবস্থা: 011:
(1) স্টেশন মাষ্টারের নিকট হইতে মারাত্বক দুর্ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কর্তব্যরত সেকশান কন্ট্রোলার বিভাগীয় কর্তব্যরত কন্ট্রোলারকে জানাইবেন যিনি অবিলম্বে সমুদয় কার্যাদি বাদ দিয়অ পরিস্থিতির দায়িত্বে গ্রহণ করিবেন।
(2) দুর্ঘটনা সম্বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাবলীর ধারণা নিন্মে দেওয়অ হইল:
(ক) দুর্ঘটনা ঘটার সময় (খ) স্থান এবং দুর্ঘটনার বিবরণ (গ) লাইনচ্যুত বা উল্টাইয়া যাওয়া গাড়ীর সংখ্যা (ঘ) যাত্রী সাধারণ অথবা রেলওয়ে কর্মচারী নিহত বা আহত হইয়া থাকিলে াহার সংখ্যা । (ঙ) দুর্ঘটনার স্থলের লাইন বা লইন সমূহের অবস্থা স্থানান্তর করার প্রয়োজন আছে কি না।
(ঝ) যদি আহত যাত্রী থাকে তবে সেই ট্রেন অথবা নিকটস্থ স্টেশনে ডাক্তার আছেন কিনা যিনি রেলওয়ের চিকিৎসক দল পৌছিবার পূর্বে আহতদেরকে ত্বরিৎ চিকিৎসা প্রদান করিতে পারে।
(জ) সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য দুর্ঘটনার বার্তঅ ইস্যু করা হইয়াছে কিন।
(3) অতঃপর তিনি (বিভাগীয় কর্তব্যরত ট্রেন কন্ট্রোলার ) উপরে 10 নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত ক্রম মোতাবেক সাহায্য চাহিয়া পাঠাইবেন , ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণেল ব্যবস্থা নিবেন এবং অবস্থাভেদে সম্ভব হইলে একক লাইনে ট্রেন চালু বা স্থানান্তরকরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। উদ্ধারকারী ট্রেন বাহির করিবার আদেশ হইয়া থাকিলে সেই ট্রেনটির স্বল্পতম সময়ে দুর্ঘটনা স্থলে পেছৈা নিশ্চিত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। উদ্ধারকারী ট্রেনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যাহাতে দুর্ঘটনাস্থলে পৌছার পর কত ভালোভাবে দুর্ঘটনাটি সম্বন্ধে ব্যবস্থা নিতে পারিবেন সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হন সেজন্য তিনি তাহাকে দুঘূটনার প্রকৃতি সম্বন্ধে যত বেশি সম্ভব জানাইবেন।
রিলিফ ট্রেনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দুর্ঘটনাস্থলের অবস্থা সম্পর্কে তাহাকে অবগত রাখার জন্য সেখানে পৌছার পর যেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফিল্ড টেলিফোন দুর্ঘটনাস্থলে কন্ট্রো্ল তারে সংস্থাপিত করেন সে বিষয়ে তিনি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিবেন।
(4) যদি কেহ আহত না হয়িা থাকে তবে বিভাগীয় কন্ট্রোল সাধারণত রিলিফ ক্রেনকে সামনে রাখিয়া উদ্ধািরকারী ট্রেনকে যে সেকশনে দুর্ঘটনর কারণে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হইয়াছ সেখানে পাঠাইবেন এবং এমত বস্থায় লইবেন যেন পৌছার সাথে সাথেই উহা কাজ শুরু করিতে পারেন। তিনি নিকটতম স্থানীয় পাশ করা ও রেজিস্টার্ড চিকিৎসকগণ, স্টেশন মাষ্টার , পরিবহণ পরিদর্শক , রেলযান পরীক্ষক , স্থায়ীপথ পরিদর্শক এবং পুলিশকে প্েোজন অনুসারে উদ্ধারকারী টেন পৌছিবার পূর্বেই দুর্ঘটনা স্থলের দিকে অগ্রসর হইবর জন্য বলিবেন। যে এলাকাতে দুর্ঘটনা সংঘটিত হইয়াছে সেই এলাকার জন্য সরাসরি দায়ী কর্মকর্তাগণকে ঘটনাস্থলে পৌছিবর জন্য শান্টিং ইঞ্জিন অথবা ট্রেন ইঞ্জিন দ্বর সাহায্য করা যাইতে পারে। পাশ করা চঅলকর দায়িত্বে থাকিলে সেই ইঞ্জিন সেটশন সীমার বাহিরে লওয়া যইতে পারে। দুর্ঘটনার সহিত সরাসরি সংযুক্ত সকল তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করিবার পর তিনি ব্যক্তিগতভাবে পরক্ষা করিয়অ দেখিবেন যে উপরের 10 নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ফোনের মাধ্যমে দুর্ঘটনার বার্তা পৌছিার জন্য তাহার দ্বারা নিয়োজিত টেলিফোন ক্লর্ক বা অন্য কোন কর্মচারী দুর্ঘটনার শ্রেণী অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সকলকে তাহা জ্ঞাত করাইয়াছেন কিনা।
(5) কোন কর্মকর্তার নিকট হইতে উত্তর না পাইয়া থাকিলে তিনি কর্তব্যরত কন্ট্রোালার) নিজেই উত্তর না পাওয়া পর্যন্ত ফোন করিবার প্রচেষ্টা চালাইবেন। ফোনে যোগযোগ প্রচেষ্ট সমগুলি অবশ্যেই যত্ন সহকালে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে এবং যদি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য কাহারো নিকট হইতে উত্তর পাওয়া যায় তবে তাহার নামও লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।
(6) বিভাগীয় কন্ট্রোলারকে নিন্মলিখিত বিবরণগুলিও লিপিবদ্ধ করিয়া রাখিত হইবে।
(ক) বিভিন্ন কর্মকর্তাকে জানাইবার সময়গুলি (খ) উদ্ধারকারী ট্রেনের জন্য আদেশ দেওয়ার সময় (গ) উদ্ধারকারী ট্রেন বাহির হইবার সময় এবং বিলম্ব হইয়া থাকিলে তাহার কারণ (ঘ) কারণসহ উদ্ধারকারী ট্রেনোর পথিমধ্যে বিলম্বের সময়কাল (ঙ) উদ্ধারকারী ট্রেনের দুর্ঘটনা স্থলে পৌছিবার এবং কাজ আরম্ভ করিবার সময়
(চ) গাড়ীগুলি লাইনে পুন:স্থাপন করিবার সময় (ঝ) লাইন মেরামত করিয়অ পরবহণ বিভাগের নিকট হস্তান্তর করিবার সময় (জ) স্বাভাবিক কাজ চালু হইবার সময় (ঝ) উদ্ধারকারী ট্রেন ফিরিয়অ আসিাবর সময় (ঞ) স্বাভাবিক কাজ চালু হওয়ার পর সর্বপ্রথম অতিক্রমকারী ট্রেনটর নম্বার এবং অতিক্রমের সময় (প) কিভাবে এবং কোন ট্রেনে বা ট্রেন সমূহে যাহ্রী সাধারণ , ডাক এবং লাগেজ স্থানান্তরিত হইয়াছে তাহার বিবরণ (ব) ক্ষতিগ্রস্থ গাড়ী বা গাড়ীগুলিকে কিভাবে ডিসপোজ করা হইয়াছে তাহার বিবরণ: