বিডি রেলওয়ে টুলস

← সব সাধারণ নিয়ম

ট্রেন ভুল পথে চালানো:ডি

engine fail time

দুর্ঘটনার শ্রেণবিভাগ:07: দুর্ঘটনা পাঁচ শ্রেণীতে বিভক্ত, যথা (অ) এ শ্রেণী: রেল চালানোর সময় সংঘটিত যে দুর্ঘটনার কারণে জীবন বিনষ্ট হয়, বিনষ্ট হয় , অথবা কোন ব্যক্তি গুরুতর রূপে আহত হয় অথবা সম্পদের মারাত্বক ক্ষতি সাধিত হয় অথবা দুইটি ট্রেনের মদ্যে সংঘর্ষ ঘটে যাহার একটি যাত্রীবাহি ট্রেন অথবা কোন যাত্রীবাহিী ট্রেন বা উহার অংশ বিষেষের লাইনচ্যুতি ঘটে। (1) কোন যাত্রী , রেল কর্মী , অনধিকার প্রবেশকারী অথবা কোন ব্যক্তির দুর্ঘটনজনিত মৃত্যু অথবা মারাত্বক রকমের জখম। (2) দুইটি ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষ যাহার অন্ততঃ একটি যাত্রীবাহিী ট্রেন অথবা কোন যাত্রীবাহি ট্রেন বা ট্রেনের অংশবিশেষের লািইনচ্যুতি। (3) 20000 বা ততোধিক মূল্যের ব্যক্তিগত বা জনগরে সম্পত্তি অথবা রেলওয়ের ষ্টক বা সম্পদের ক্ষতি সাধন। (আ) বি শ্রেণী: অত্যাধিক বন্যা ইত্যাদির দরুণ রেলওয়ের লাইন অথবা পূর্তকর্মের ক্ষতি সাধন যাহা পরিবহণ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করে কিন্তু সত্যি সত্যি কোন ট্রেনের দুর্ঘটনা ঘটায় না। (ই) সি শ্রেণী: গরুবাছুর জাতীয় প্রাণী, লেভেল ক্রসিং গেইট অথবা কোন প্রকারের বাধার উপর দিয়া ট্রেন চলিয়া যাওয়া কিন্তু এ শ্রেণীতে বর্ণিত দুর্ঘটনা না ঘটানো। (1) গরুবাছুর জাতীয় প্রাণী বা লেভেল ক্রসিং গেটের উপর দিয়া চলিয়া যাওয়া। টীকা: গরুবাছুর জাতীয় প্রাণী বলিতে সকল বড় প্রাণীকে বুঝায়, যেমন , ঘোড়া, উট, মহিষ ইত্যাদি ছাগর ভেড়া, কুকুর ইত্যাদি ছোটপ্রাণী হওয়ায় ইহার অন্তুভূকত্ নহে। (2) সড়কযান সহ লেভেল ক্রসিং এ লাইনের উপর অবস্থিত কোন বাধার উপর দিয়অ ট্রেন চলিয়া যাওয়া। (3) রেলগাড়ী সংক্রান্ত ধ্বংসাত্বক কার্যকলাপ (ট্রেন রেকিং) অথবা ধ্বংসাত্বক কার্যকলাপের প্রয়াস। (ঈ) ডি শ্রেণী: নিন্মলিখিত দুর্ঘটনাগুলি ডি শ্রেণীভুক্ত , যাহা জীবন হানি, মারাত্নক আঘাত অথবা মারাত্নক ক্ষতি সাধনের সহিত জড়িত নহে। (1) রেল যানক বাতাসে , ঠেলিয়া লইয়া যাওয়া। (2) ট্রেনকে ভুল পথে চালানো বা দুই স্টেশনের মধ্যে লাইন ক্লিয়ার ব্যতীত ট্রেন চলাচল। (3) এ শ্রেণীর আওতায় পড়েনা এমন সংঘর্ষ এবং লাইনচ্যুতি ও এড়ানো সংঘর্ষ অথবা ট্রেন বা রেলওয়ে সীমানার মধ্য অগ্নিকান্ড। (4) গাড়ী বিচ্ছিন্ন হইয়া যাওয়া (ট্রেন পাটিং) টীকা: সংযোগের (কাপলিং) ড্র বার ভাঙ্গিয়া যদি তাহা সহ্যি সত্যিই ট্রেনের বিচ্ছিন্নতা না ঘটায় তবে তাহাকে শ্রেণীর দুর্র্টনা বলিয়া ধরা যােইবে না। (5) পয়েন্ট ফাটিয়া যাওয়া(বাস্টিং) (6) টেলিগ্রাফ ব্যবস্থার বিষেশ ক্ষতি হওয়া। (7) লাইনে বসানো রেল ভাঙ্গা পাওয়া । (8) ট্রেন হইতে কোন যাত্রীর পড়িয়া বা লাফ দেওয়া , যদি সেই যাত্রী নিহত বা গুরুত্বরূপে আহত না হয়। (9) অন্য কোন ছোট দুর্ঘটনা বা অস্বাভাবিক ঘটনা যাহা যাত্রীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে বা করিতে পারে অথবা যাহা যাত্রী , মালামাল বা ডাকচলাচলের বিশেষ বিলম্ব ঘটায় বা ঘটাইতে পারে অথবা , রেললইন, পুর্তকর্ম বা রোলিং স্টকের ক্ষতিসাধন করে বা করিতে পারে। সি (3)শ্যেনীর দুর্ঘটনায় শ্রেণীভুক্ত করা যায় না, লাইনের উপরে এমন বাধাও এই শ্রেণীর অন্তভূক্ত হইবে। (উ) ই শ্রেণীর দুর্ঘটনা : ইঞ্জিন বিকলতা: একটি ইঞ্জিনকে বিকল বলিয়া ধরিয়া নেওয়া হইবে যখন (1) কোন ত্রুটির জন্য ইহা তাহার নির্ধারিত ট্রেনকে যাত্রার স্টেশন হইতে গন্তব্যস্থল পর্যন্ত নিতে অক্ষম হয় অথবা পথিমধ্যে কোন এক স্থানে অথবা কয়েকস্থানে ধারাবাহিক ভাবে মোট 1 ঘন্টা বা তার বেশী বিলম্ব ঘটায়। অথবা (2) অন্য ট্রেনের ইঞ্জিন বা নিকটস্থ ইঞ্জিন বদল করার স্টেশন হইতে আনীত ইঞ্জিন দ্বারা ইহার বদলে কাজ করাইতে হয়। অথবা (3) ইঞ্জিন বদলাইবার স্টেশনে ইঞ্জিন বদলাইবার জন্য কমপক্ষে 1 ঘন্টা বিলম্ব ঘটে। টীকা: যেখানে কন্টোল আছে সেই এলাকায় যদি কোন যাত্রীবাহী ট্রেন ইহার ভ্রমণকালের পথমার্ধে অর্ধঘন্টার বেশি বিলম্বিত হয়, তবে বিভাগীয় কন্টোলারগণ ইচ্ছা করিলে সাহায্যকারী ইঞ্জিনের ব্যবস্থা করিবার ক্ষমতা রাখিবেন। (8) তারবার্তার মাধ্যমে দুর্ঘটনার সংবাদ প্রেরণ: যে কর্মকর্তাগণকে তারবার্তার মাধ্যমে সংবাদ দিতে হইবে তাহাদের তালিকা সংযোজনী ক তে দেওয়া হইয়াছে।