ব্যানার ফ্ল্যাগ বা বিভিন্ন বিপদ সংকেত প্রদর্শন:213
সিগনাল প্রদর্শন:213:
(ক) যখন সতর্কতা হাত সংকেত দেখাইতে হইবে তখন ডাবল লাইনের বেলায় যেই দিক হিইতে ট্রেন আসে সেই দিকে এবং সিংগেল লাইনের বেলায় উভয় দিকে অন্ততঃ সিকি মাইল বা 400 মিটার দূরে এবং অবস্থা বিশেষের প্রয়োজনে আরো দূরে একজন যোগ্য ব্যক্তিকে পাঠাইতে হইবে যিনি এমনভাবে এই সিগনালগুলি দেখাইবেন যাহাতে আগত ট্রেনের চালক ঐ গুলি স্পষ্টভাবে দেখিতে পান।
(খ) যে সকল স্থানে সতকতার সহিত ট্রেন চালাইবার দরকার সেইখানে আরো একটি অনুরূপ সংকেত দেখাইতে হইবে এবং ট্রেনটি অনুস্থল বা বিপদজনক স্থান মুক্ত হইবাপর সংগে সংগে চালককে অগ্রসর হওয়ার সিগনাল দেখাইতে হইবে।
(গ) এই অধ্যায় অনুযায়ী বিপদ সংকেত সমূহ দেখাইতে হইলে সইগুলি বাধাগ্রস্থ স্থান হইতে উভয় দিকে যথেষ্ট নিরাপদ দূরত্বে থাকিয়অ (বিশেষ নির্দেশনা দ্বারা যাহা নির্দিষ্ট করা হইবে।) দেখাইতে হইবে। কিন্তু রেলওয়ের ডবল লাইনের ক্ষেত্রে যদি শুধু ্কটি মাত্র লাইন ক্ষতিগ্রস্থ হয় তবে ঐ লাইনেন যেদিক হইতে টেনগুলি আসে শুধু মাত্র সেই দিকে সিগনাল দেখাইতে হেইবে।
(ঘ) বিপদজনক স্থানের সন্নিকটে এবং সামনেও বিপদ সংকেত দেখাইতে হইবে।
(ঙ) 71 হইতে 73 পর্যন্ত সাধারণ নিয়মাবলীতে বর্ণিত পদ্ধতি অনুসারে বিপদ সংকেত গুলিকে ডেটনেটর বা পটকাসমূহ দ্বারা সম্পূরণ করিতে হইবে।
আ:নি: 213 ক :
(1) হাত সংকেত অথবা ব্যানার ফ্ল্যাগ : এইগুলি শুধুমাত্র জরুরী ক্ষেত্রেই অথবা গতি নিয়ন্ত্রণ সিগনাল বোর্ড না বসানো পর্যন্ত ব্যবহৃত হইবে। এইরূপ ক্ষেত্রে যখনই সম্ভব হইবে, পুর্বকালীন নোটিশ দিতে হইবে এবং প্রকৌশল গতিনিয়ন্ত্রণ প্রদর্শন বোর্ড বসাইতে হইবে।
(2) সতর্কতা হাত সংকেত: কোন প্রকৌশল কর্যের নিরাপত্তা অথবা অন্য কোন কারণে সাধারণ নিয়মের 213 (ক) ও (খ) ধারা অনুযায়ী সতর্কতা হাত সংকেত দেখাইবার প্রয়োজন পড়িলে সাধঅরণ নিয়ম 62 অনুযায়ী হাত সংকত দেখাইতে হইবে এবং এই নিয়মাবলীর 13 নং চিত্রে প্রদর্শিত দূরত্ব অনুযায়ী ডেটনেটর বা পটকা স্থাপন করিতে হইবে।
(3) (3) ব্যানার ফ্ল্যাগ অথবা হাত বিপদ সংকেত : কোন প্রকৌশল কার্যের নিরাপত্তা বিধান অথবা অন্য কোন কারণে সাধারণ নিয়ম 213 এর (গ) ,(ঘ) ও (ঙ) উপধারা অনুযায়ী হাত বিপদ সংকেত দেখাইবার প্রয়োজন পড়িলে এই নিয়মাবলীর 14 নং চিত্রে প্রদর্শিত দূরত্ব অনুযায়ী ব্যানার ফ্ল্যাগ (সাধারণ নিয়ম 68) ও ডেটনেটর স্থাপন করিতে হইবে। জরুরী ক্ষেত্রে ব্যানার ফ্ল্যাগ হাতের কাছে না থাকিলে, তাহ বিপদ সংকেত (সাধারণ নিয়ম 61) অবশ্যই প্রদর্শন করিতে হইবে।
(4)ব্যানার ফ্ল্যাগ অথবা হাত বিপদ সংকেত : স্থায়ী সিগনালের নিরাপত্তাধীন ্লাকার কোন কাজের জন্য ব্যানার ফ্ল্যাগ প্রদর্শনের প্রয়েঅজন পড়িলে তাহা েএই নিয়মাবলীর 15 নং চিত্র অনুযায়ী বসাইতে হইবে।
আ:নি: 213 খ: (1) অস্থায়ী প্রকৌশল গতি নিয়ন্ত্রণ নির্দেশক অথবা গতি নিয়ন্ত্রণ নির্দেশকের ধরণ: আনুষঙ্গিক নিয়ম 213 ক তে বর্ণিত হাত সংকেত বা ব্যানার সংকেতের পরিবর্তে ব্যবহৃত এইসব বিশেষ সংকেতসমূহ উপরোল্লিখিত আনুষঙ্গিক নিয়ম 213 ক (1) এর মতো জরুরী ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য সকল ক্ষেত্রেই স্থাপন ও ব্যবহার করিতে হইবে। চার ধরণের গতি নিয়ন্ত্রণ নির্দেশক রহিয়াছে , যথা সতর্কতা নির্দেশক , গতিবেগ নির্দেশক , থামা নির্দেশক এবং অন্ত নির্দেশক । 16 নং চিত্রে এইসব নির্দেশক এর বিষয়টি ব্যাখ্যঅ করা হইয়াছে।
(2) সকল প্রকৌশল গতিবেগ নিয়ন্ত্রণ নির্দেশক এর স্থাপন , পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও আলোকীকরণের জন্য স্থায়ীপথ পরিদর্শক অথবা সহকারী পরিদর্শক দায়ী থাকিবেন।
আ:নি: 213 গ: এই সব নির্দেশক এর গুরুত্ব ও চালকগণক এইক্ষেত্রে যে সব কার্যক্রম গ্রহণ করিতে হইবে তাহা নিন্মে উল্লিখিত হইল।
(1) সতর্কতা নির্দেশক : এই নির্দেশক দেখা মাত্র ্কজন চালক গতিবেগ হ্রাস করিবেন এবং প্রয়োজন পড়িলে পরবর্তী নির্দেশক এর নিকট যাহাতে থামিতে পারেন সেইভাবে প্রস্তুতি নিয়া সতর্কতার সহিত অগ্রসর হইবেন।
(2) গতিবেগ নির্দেশক: যদি দ্বিতীয় সংকেতটি গতিবেগ নির্দেশক হয় তবে চালক তাহার ট্রেনের জন্য উক্ত নির্দেশক এ নির্দিষ্ট গতিসীমা অতিক্রম না করিয়া অন্তনির্দেশক পর্যন্ত অগ্রসর হইতে পারে। যে কোন হাত সংকেত লক্ষ্য রাখা ও পালন করার জন্য চালকক সতর্ক থাকিতে হইবে।
(3) থামা নির্দেশক : দ্বিতীয় সংকেতটি যাদ থামা নির্দেশক হয় , তবে চালককে অবশ্যই তাহা অতিক্রম করার পূর্বে ট্রেনকে থামাইতে হইবে। একজন যোগ্য রেল কর্মচারী চালকের নিকট একটি বহি হস্তান্তর করিবেন যাহাতে চালক তারিখ , সময় নম্বর ও ট্রেনের বর্ণনা লিপিবদ্ধ করিবেন। বহিতে ঠিকমত স্বাক্ষর প্রদানের পর চালক লাইনটি নিরাপদ থাকিলে সতর্কতা হাত সংকেত অনুসারে অন্ত নির্দেশক পর্যন্ত ঘন্টায় অনুর্ধ 5 মাইল বা 8 কি: মি: গতিতে অগ্রসর হইবেন।
(3) অন্ত নির্দেশক : অন্ত নির্দেশক অতিক্রম করার পর চালক তাহার স্বাভাবিক গতি অর্থাৎ ঐ ট্রেনের সব্বোর্চ অনুমোদিত গতিব পুনরায় ট্রেন চালাইতে পারিবে।
আ:নি:213 ঘ(1) স্থায়ী সিগনাল সমূহের নিকটে নহে এমন স্থানের গতিবেগ নির্দেশক :
স্থায়ী সিগনালের নিকটে নহে এমন স্থানে গতিবেগ নিয়ন্ত্রণের জন্য কতটুকু দূরত্ব প্রকৌশল গতিবেগ নিয়ন্ত্রণ নির্দেশক বসাইতে হইবে এবং তাহাদের প্রয়েঅগ কিরূপ হইবে সেই স্মপর্কে 17 নং চিত্রে বিশদভাবে ব্যাখ্যা করা হইয়াছে।
(2) স্থায়ী সিগনালসমূহের নিকটে নহে এমন স্থানে পূর্ন থামা নির্দেশক:
স্থায়ী সিগনাল সমূহের নিকটে নহে এমন স্থানে পূর্ণ থামা নির্দেশক এর জন্য কতদূর দূরত্বে গতিবেগ নিয়ন্ত্রণ নির্দশক সমূহ বসাইতে হইবে এবং উহাদের প্রয়োগ কিরুপ হিইবে সেই সম্পর্কে 18 নং চিত্রে বিশদভাবে দেখানো হইয়অছে।
আ:নি: 213 ঙ (1) স্টেশনের স্থায়ী সিগনালের ভিতরে যদি কোন প্রকৌশল গতিবেগ নিয়ন্ত্রণ নির্দেশক বসাইতে হয় তাহা হইলে স্থায়ীপথ পরিদর্শক সংশ্লিষ্ট সিগনাল পরিদর্শককে অবশ্যই অবহিত করিবেন এব যৌথ পরামর্শক্রমে কগতিবেগ নিয়ন্ত্রণ নির্দেশক এর অবস্থান নির্ধারণ করিনেব।
(2) এইরূপ ক্ষেত্রে সিগনাল পরিদর্শক সিগনাল স্থাপন এবং অথবা লিভার তালাবদ্ধকরণের জন্যে দায়ী থাকিবেন।
আ:নি: 213 (চ) প্রকৌশল গতিবেগ নিয়ন্ত্রণ নির্দেশক ব্যবহারে আনিবার পূর্বে , বিশেষ সাবধানতা অবলম্বনের প্রয়োজনীয় স্থঅন এইরূপ পূর্ব সাবধানতা অবলম্বনের কারণ , যেইস্থানে সতর্কতাপূর্ণ চালনার প্রয়েঅজন পড়িবে সেই স্থানের গতিবেগ এবং কোন তারিখ হইতে প্রকৌশল গতিবেগ নিয়ন্ত্রণ নিদশেক কাযকর হইবে তাহা বর্ণনা পূর্বক প্রকৌশল বিভাগকে অপারেটিং বিভাগের নিটকা যথাযথ নোটিশ দিতে হইবে।
আ:নি: 213 ছ: আনুষঙ্গিক নিয়ম 213 ঘ তে নির্দিষ্ট বিশধ নিয়মাবলী বর্ণনা পূর্বক অপারেটিং বিভাগ সকল ট্রেনের রানিং স্টাফকে যথাযথ নির্দেশ জারী করিবেন।
আ:নি: 213 জ: অপরিষ্কার , কুয়াশাচ্ছন্ন ও ঝোড়ো আবহাওয়ায় এই আনুষঙ্গিক নিয়মাবলীতে নির্দিষ্ট সিগনাল প্রদর্শনের সঙ্গে সম্পূরক হিসাবে সাধাণ নিয়ম 72 ও 73 এবং উহাদের সংশ্লিষ্ট আনুষঙ্গিক নিয়মানুসারে ডেটোনেটর বা পটকা ব্যবহার করিতে হইবে ।
আ:নি: 213 ঝ: ওয়ার্কিং টাইম টেবিলে কোন রাত্রিকালীন ট্রেন চলাচলের নির্ধারিত কর্মচূচী না থাকিলে , অপারেটিং বিভাগ এই মর্মে প্রকৌশল বিভাগকে জানাইবেন যে , বাতি ও রাত্রিকালীন সিগনা্লম্যানের প্রয়োজন নাই।
সাধারণ নিয়ম 213 এর আনুষঙ্গিক নিয়ম 213 ক তে উল্লিখিত চিত্রসমূহ পরবর্তী